নিউ ইয়র্কের কুইন্সে দীর্ঘদিনের টিকটক বিরোধের জেরে এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিকে অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনায় সুলতানা রাজিয়া (৪০) নামে এক নারীকে দোষী সাব্যস্ত করেছে ফেডারেল জুরি।
প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, ২০২৩ সালের ২৭ মার্চ জ্যামাইকায় খাবার কিনে বাড়ি ফেরার পথে মোবারক দেওয়ানকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের নেতৃত্ব দেন সুপারমার্কেট মালিক আবু চৌধুরী, যিনি প্রতিশোধমূলক অপহরণচক্র পরিচালনার অভিযোগে অভিযুক্ত।
যদিও রাজিয়া সরাসরি অপহরণে অংশ নেননি, তবে তিনি সহ-আসামি সৈয়দ রুবেল আহমেদের সঙ্গে অপহরণের পর নির্যাতনে অংশ নেন বলে আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অপহরণকারীরা দেওয়ানকে কুইন্সের বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে মারধর করে, মাদক প্রয়োগ করে, কাপড় খুলে ফেলে এবং নগ্ন অবস্থায় রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখে।
প্রসিকিউটরদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজিয়া দেওয়ানকে ঘুষি মারেন, নারিকেলের ঝাড়ু দিয়ে আঘাত করেন এবং তার নগ্ন ভিডিও টিকটকে পোস্ট করেন। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল 'মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা মাস' এবং সঙ্গে কয়েকটি জিভ বের করা হাসির ইমোজি ব্যবহার করা হয়।
২৬ জুন বিচার শেষে প্রায় একদিনের আলোচনার পর জুরি রাজিয়া ও সৈয়দ রুবেল আহমেদকে অপহরণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে।
রায়ের পর প্রসিকিউটররা দুই আসামিকে জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানালেও বিচারক নিনা মরিসন সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখে ২৩ জুলাই শুনানির দিন ধার্য করেন। ততদিন পর্যন্ত রাজিয়া ৫০ হাজার ডলার এবং আহমেদ ১ লাখ ডলার বন্ডে মুক্ত থাকবেন।
আদালতে বলা হয়, দেওয়ান একসময় রাজিয়া ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ৩০ হাজার ডলারের বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছিলেন। এরপর থেকেই তাদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র বিরোধ শুরু হয়।
প্রসিকিউটর জন ভ্যাগেলাটোস জুরিদের বলেন, অপহরণের তিন দিন পর এক ফোনালাপে রাজিয়া গর্ব করে বলেন, 'আমরা তাকে মারধর করেছি এবং প্রতিশোধ নিয়েছি।'
তবে রাজিয়ার আইনজীবী সারা স্যাকস দাবি করেন, দেওয়ান দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজিয়াকে হয়রানি, ধর্ষণের হুমকি এবং মানহানিকর পোস্ট করে আসছিলেন। তার বক্তব্য, অপহরণের বিষয়ে রাজিয়া আগে থেকে কিছু জানতেন না এবং আবু চৌধুরী নিজের উদ্যোগেই দেওয়ানকে অপহরণ করেছিলেন।
এই মামলাটি আবু চৌধুরীর কথিত প্রতিশোধমূলক অপহরণচক্র নিয়ে চলমান তিনটি ফেডারেল বিচারের দ্বিতীয়টি। এর আগে তার স্ত্রী ইফফাত লুবনা একই ধরনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আবু চৌধুরীর বিচার আগামী সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়ার কথা।
প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, ২০২৩ সালের ২৭ মার্চ জ্যামাইকায় খাবার কিনে বাড়ি ফেরার পথে মোবারক দেওয়ানকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের নেতৃত্ব দেন সুপারমার্কেট মালিক আবু চৌধুরী, যিনি প্রতিশোধমূলক অপহরণচক্র পরিচালনার অভিযোগে অভিযুক্ত।
যদিও রাজিয়া সরাসরি অপহরণে অংশ নেননি, তবে তিনি সহ-আসামি সৈয়দ রুবেল আহমেদের সঙ্গে অপহরণের পর নির্যাতনে অংশ নেন বলে আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অপহরণকারীরা দেওয়ানকে কুইন্সের বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে মারধর করে, মাদক প্রয়োগ করে, কাপড় খুলে ফেলে এবং নগ্ন অবস্থায় রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখে।
প্রসিকিউটরদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজিয়া দেওয়ানকে ঘুষি মারেন, নারিকেলের ঝাড়ু দিয়ে আঘাত করেন এবং তার নগ্ন ভিডিও টিকটকে পোস্ট করেন। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল 'মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা মাস' এবং সঙ্গে কয়েকটি জিভ বের করা হাসির ইমোজি ব্যবহার করা হয়।
২৬ জুন বিচার শেষে প্রায় একদিনের আলোচনার পর জুরি রাজিয়া ও সৈয়দ রুবেল আহমেদকে অপহরণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে।
রায়ের পর প্রসিকিউটররা দুই আসামিকে জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানালেও বিচারক নিনা মরিসন সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখে ২৩ জুলাই শুনানির দিন ধার্য করেন। ততদিন পর্যন্ত রাজিয়া ৫০ হাজার ডলার এবং আহমেদ ১ লাখ ডলার বন্ডে মুক্ত থাকবেন।
আদালতে বলা হয়, দেওয়ান একসময় রাজিয়া ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ৩০ হাজার ডলারের বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছিলেন। এরপর থেকেই তাদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র বিরোধ শুরু হয়।
প্রসিকিউটর জন ভ্যাগেলাটোস জুরিদের বলেন, অপহরণের তিন দিন পর এক ফোনালাপে রাজিয়া গর্ব করে বলেন, 'আমরা তাকে মারধর করেছি এবং প্রতিশোধ নিয়েছি।'
তবে রাজিয়ার আইনজীবী সারা স্যাকস দাবি করেন, দেওয়ান দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজিয়াকে হয়রানি, ধর্ষণের হুমকি এবং মানহানিকর পোস্ট করে আসছিলেন। তার বক্তব্য, অপহরণের বিষয়ে রাজিয়া আগে থেকে কিছু জানতেন না এবং আবু চৌধুরী নিজের উদ্যোগেই দেওয়ানকে অপহরণ করেছিলেন।
এই মামলাটি আবু চৌধুরীর কথিত প্রতিশোধমূলক অপহরণচক্র নিয়ে চলমান তিনটি ফেডারেল বিচারের দ্বিতীয়টি। এর আগে তার স্ত্রী ইফফাত লুবনা একই ধরনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আবু চৌধুরীর বিচার আগামী সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়ার কথা।
ইমা এলিস, নিউ ইয়র্ক